স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারার জবানীতে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনানের পরকীয়া

ঢাকা রিডার ডেস্ক

ওয়াল্লাহি, আজ আমি যা বলছি, তার একটি শব্দও মিথ্যা নয়। আমি জানি, এই কথাগুলো আপনাদের বিশ্বাস করতে কষ্ট হবে, শুনতে খারাপ লাগবে। কিন্তু যে আগুন আমার ভেতরটাকে গত কয়েক বছর ধরে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছারখার করে দিয়েছে, তার সামান্য আঁচ আপনাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া ছাড়া আমার আর কোনো পথ খোলা নেই। এই মুখোশ উন্মোচন আমার প্রতিশোধ নয়, বরং আমার মুক্তির আর্তনাদ।

আমাদের বিয়ের ভিত্তি ছিল বিশ্বাস, পরকীয়া নয়
প্রথমেই একটা বিষয় পরিষ্কার করতে চাই, আদনান সাহেবের সাথে আমার বিয়ে কোনো লুকানো পাপ বা পরকীয়ার ফল ছিল না। আমি তার পুরনো প্রেমিকাও নই। আমাদের বিয়ে হয়েছিল তার প্রথম পক্ষের পূর্ণ সমর্থনে, এমনকি তাদের অনুরোধেই। আমার পরিবারের উপস্থিতিতে, ঢাকার মিরপুরের কাজী অফিসে সম্পূর্ণ ইসলামি শরিয়ত মেনেই আমাদের সম্পর্কটা শুরু হয়েছিল। সেদিন তিনি আজকের এই তারকা বক্তা ছিলেন না। আমি তার সাধারণ পরিচয়েই তাকে বিশ্বাস করেছিলাম, তার দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলোকে আঁকড়ে ধরে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখেছিলাম। কিন্তু ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস, আজ যখন আমি সেই প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিই, তখন আমাকেই অপরাধী বানিয়ে দেওয়া হয়। তার প্রথম পক্ষ, যারা একদিন আমাকে এই জীবনে এনেছিল, আজ তারাই তার সবচেয়ে বড় রক্ষাকবচ বা ‘ট্রাম্প কার্ড’।

ধার্মিকতার মুখোশের আড়ালে যে অন্য মানুষ
বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আমি তার এক অদ্ভুত রূপ দেখতে শুরু করি। যে মানুষটি পর্দার সামনে লক্ষ লক্ষ মানুষকে দৃষ্টি সংযত রাখার সবক দেন, তিনিই আমার পাশে থাকা সত্ত্বেও রাস্তার কোনো নারীকে দেখে অবলীলায় “সুবহানাল্লাহ, মাশাল্লাহ” বলে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকতেন। এটা তার একদিনের ভুল ছিল না, এটাই ছিল তার চরিত্র। তার এই ‘নারী সংক্রান্ত সমস্যা’র কথা তিনি নিজেও তার ঘনিষ্ঠদের কাছে স্বীকার করেছেন। তার এই সংযমহীন দৃষ্টিই আমাদের সাজানো সংসারকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিয়েছে। আজ আমি, আমার পরিবার, আমার দুটো সন্তান—সবাই ছন্নছাড়া শুধু তার চারিত্রিক স্খলনের কারণে।

এক আসক্তি, অসংখ্য নারী: যন্ত্রণার শুরু
তার জীবনে নারীর আনাগোনা ছিল স্রোতের মতো, একের পর এক। রংপুরের এক মেয়ের সাথে হোয়াটসঅ্যাপে তার দীর্ঘদিনের যোগাযোগ ছিল। আমার সন্তানের দেখাশোনার অজুহাতে মেয়েটিকে ঢাকায় নিয়ে আসার জন্য আমাকে মানসিকভাবে চাপ দিতেন। মেয়েটির ছবি চেয়ে নিয়ে তার রূপের প্রশংসা করতেন, বিয়ে করতে কেমন পাত্র চায়—এসব জিজ্ঞেস করতেন। তার বিশ্বস্ত সহকারী ইয়ামিনকে দিয়ে আমি যখন সেই মেয়েটিকে সরালাম, তখন তিনি আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন।

এরপর এলো আরেক অধ্যায়। ক্যান্সারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসার জন্য সাহায্য চাইতে আসা এক তরুণী। সাহায্যের নামে তার সাথেও শুরু হলো নিয়মিত যোগাযোগ। মেয়েটির উদ্দেশ্য হয়তো সৎ ছিল, কিন্তু আদনান সাহেবের উদ্দেশ্য ছিল ভিন্ন। তিনি মেয়েটিকে নিজের দায়িত্বে ঢাকায় আনলেন, সমস্ত খরচ বহন করলেন, কিন্তু আমাকে তার ধারেকাছেও ঘেঁষতে দিলেন না। আমি বলেছিলাম, সাহায্য যদি করতেই হয়, তাহলে একজন নারী হিসেবে আমি নাহয় মেয়েটির সাথে কথা বলি। কিন্তু না, তার উদ্দেশ্য ছিল অন্য—মেয়েটিকে কোনোভাবে নিজের আয়ত্তে আনা।

বিশ্বাসঘাতকতার চরম সীমা: আমার ঘরের সেই মেয়েটি
বাইরের শত ঘটনাতেও আমি এতটা ভাঙিনি, যতটা ভেঙেছি আমার নিজের ঘরে ঘটে যাওয়া ঘটনায়। আমাদের মাদ্রাসায় পড়াতো এবং বাসায় কাজ করতো, এমন একটি মেয়ের ওপর তার নজর পড়ে। তিনি মেয়েটিকে টাকা দিতেন, নিজের নম্বর দিয়ে বলতেন যেকোনো প্রয়োজনে তাকে জানাতে। এরপর থেকেই শুরু হলো গোপন আলাপন। মেয়েটি বাসায় কাজে এলে তার মধ্যে আমি এক ধরনের অস্থিরতা দেখতাম। একদিন আমাদের মধ্যে মনোমালিন্য হলে তিনি আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, “এমন কিছু করবো যা তুমি কল্পনাও করতে পারবে না।”

আমার সন্দেহ সত্যি হলো কিছুদিন পরই। আমি তার ফোনে দেখি সেই কাজের মেয়ের সাথে ১৮ মিনিটের কললিস্ট। হোয়াটসঅ্যাপে ঢুকে আমার পৃথিবীটা দুলে উঠলো। মেয়েটির অভিমানী মেসেজ, “আমি আপনার উপর রাগ আছি।” আর তার উত্তরে আদনান সাহেবের পাঠানো বার্তা—”আমার মোহাব্বত, আমার পুরো কলিজাটা, আমার মানুষটা… আপনি কোথায় দুইদিন ধরে দেখিনা।”

আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। যে মানুষটিকে আমি এত ভালোবাসি, যার সাথে কথা বলতে আমারও কখনো কখনো সংকোচ হয়, সে কি না আমারই বাসার কাজের মেয়ের সাথে এতটা ঘনিষ্ঠ! আমি যখন সব প্রমাণ ধরে ফেললাম, তিনি আমার সামনেই মেয়েটিকে ফোন দিয়ে ধমক দিয়ে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের নাটক করলেন। সেদিন আমি রাগে, অপমানে, যন্ত্রণায় মেয়েটিকে দুটো চড় মেরেছিলাম, বাসা থেকে, মাদ্রাসা থেকে বের করে দিয়েছিলাম। কিন্তু তখনই আমার মনে হয়েছিল সেই তিক্ত প্রশ্নটা— “কিন্তু সমস্যা যখন ঘরে, তখন আর কতজনকে বিদায় করা যায়!”

আলেমা থেকে এয়ার হোস্টেসের প্রেম
এই ঘটনার পরও তিনি শোধরাননি। এরপর তার চোখ পড়লো সিরাত প্রতিযোগিতার বিজয়ী একজন ডিভোর্সি ও আলেমা মেয়ের ওপর। তাকে নিজের অনলাইন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিকা বানালেন, বিয়ের জন্য কথাবার্তা চালালেন, এমনকি মেয়েটিকে বিয়ে করে ঢাকায় নিয়ে আসবেন বলে আমার কাছ থেকে বিদায় না নিয়েই রংপুরে চলে গেলেন। আমি সেদিনও নীরবে সব মেনে নিয়েছিলাম।

কিন্তু রংপুরে ১০ দিন থাকার পর ফিরে এসে তিনি আমাকে ভালোবাসার কথা শোনালেন, বললেন আমাকে ছাড়া তার চলবে না, ওই মেয়েটিকে তার পছন্দ হয়নি। আমি বোকার মতো আবারও তাকে বিশ্বাস করলাম। কিন্তু পরে জানতে পারলাম, সেই আলেমা মেয়েটিকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন আমার জন্য নয়, বরং তার ১৫ বছরের পুরনো কলেজ জীবনের প্রেমিকার জন্য, যিনি এখন একজন এয়ার হোস্টেস।

এরপর যা ঘটেছে, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমার বিছানায় শুয়ে, আমার পাশে বসে তিনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা তার সেই প্রেমিকাকে সময় দিতেন। আমাকে তাদের প্রেমের গভীরতার গল্প শোনাতেন। আমাকে বলতেন, সেই মেয়ের শরীরের কোথায় তিল আছে, তা-ও তিনি জানেন। আমি তার স্ত্রী, নাকি তার মা-বোন? যে মানুষটা আমার পুরো পৃথিবী ছিল, সে আমাকেই তার পরকীয়ার সাক্ষী বানিয়েছিল, এর চেয়ে বড় মানসিক নির্যাতন আর কী হতে পারে?

কেন আজ সব বলছি: সবর নাকি সমাধানের চেষ্টা?
আমি জানি, অনেকেই আমাকে বলবেন সবর করতে। কিন্তু আল্লাহর কসম, আমি গত দুই বছর ধরে সমাধানের সবরকম চেষ্টা করেছি। তিনি কোনো আলোচনায় বসেননি, বড়দের কথাও শোনেননি। যখন কোনো পথ খোলা ছিল না, তখনই আমি এই প্ল্যাটফর্মে এসেছি। কারণ তিনি ‘অনলাইনের মানুষ’, তাকে অনলাইনেই পাওয়া যায়।

আমি আজ কোনো প্রতিশোধ চাই না। আমি শুধু এই ধারাবাহিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি চাই। যে পুরুষের চোখে নতুন নারীর নেশা, তার কাছে স্ত্রীর নিঃস্বার্থ ভালোবাসাও যন্ত্রণার মতো। আমি আর তার জীবনের সেই যন্ত্রণা হয়ে থাকতে চাই না। আমি আমার পরকালকে বাঁচাতে চাই। সমস্যা জিইয়ে রাখার নাম সবর নয়, বরং সমাধানের জন্য রুখে দাঁড়ানোই প্রকৃত ইমানের দাবি।

জবানিতে: সাবিকুন নাহার সারা (আবু ত্বহা আদনানের স্ত্রী)।

স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারার জবানীতে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনানের পরকীয়া

ঢাকা রিডার ডেস্ক

এয়ার হোস্টেসদের সেলিব্রিটি পছন্দ, আর সেলিব্রিটিরাও হয়তো এয়ার হোস্টেসদেরই ডিজার্ভ করেন” এই বাক্যটাই যেন আজ আমার জীবনের নির্মম বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনাদের প্রিয় উস্তাদ, আমার স্বামী আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান, এখন তার ১৫ বছরের পুরোনো কলেজ জীবনের এক প্রিয়তমার প্রেমে মজেছেন। সেই নারী, জারিন জেবিন, আজ একজন এয়ার হোস্টেস।

শুনেছি, পনেরোটা বছর আগে আমার স্বামী তাকে পাগলের মতো চাইতেন। কিন্তু পকেটে টাকা ছিল না বলে সেদিন সেই পরিবার তাকে ফিরিয়ে দিয়েছিল। আজ দিন বদলেছে, তার খ্যাতি হয়েছে, টাকা হয়েছে। আর সেই সাথে ফিরে এসেছে পুরোনো প্রেম। এখন নাকি সেই নারীই আমার স্বামীকে ফিরে পেতে মরিয়া। তাদের সেই ধুলো জমা প্রেম আজ নতুন করে জেগে উঠেছে, আবেগের সাগরে ভাসছে দুজন। নিয়মিত চ্যাট বক্সে তাদের অনুভূতির আদান-প্রদান হয়। শুধু কি তাই? আমারই ঘরের কোণে বসে, আমার স্বামীর গড়া ‘যিন্নুরাঈন সেন্টারে’ বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফোনে কথা বলেন তিনি। তার সাথে লং ড্রাইভে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, এমনকি সেন্টারের অফিস রুমে একান্তে দেখাও করেন।

সবচেয়ে কষ্টের বিষয় কি জানেন? আপনাদের দেওয়া টাকায়, আপনাদের ভালোবাসায় যে প্রতিষ্ঠানগুলো গড়ে উঠেছে, সেগুলোই আজ তার ব্যক্তিগত অভিসারের কারখানায় পরিণত হয়েছে। যে মানুষটা মিডিয়ার সামনে সহ-শিক্ষার বিরুদ্ধে জ্বালাময়ী বক্তব্য দেন, তারই প্রতিষ্ঠানে আজ নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশার আয়োজন। বিভিন্ন কোর্সের নামে মেয়েদের সাথে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আলোচনা করা, আর সেখান থেকে নিজের জন্য ‘সেরা’ কাউকে খুঁজে বের করাই যেন তার অন্যতম কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

যখনই আমি এই অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়েছি, তখনই আমি হয়ে গেছি সবার চোখে ‘জঘন্য’। আমার স্বামী চিৎকার করে আমাকেই দোষী বানিয়েছেন, আমার ওপর চাপিয়ে দিয়েছেন মিথ্যে অপবাদের বোঝা। একবার ভাবুন তো সেই স্ত্রীর কথা, যার স্বামী তারই বিছানায় বসে আরেক নারীর সাথে প্রেম করে, আর রাত ৩টায় বাড়ি ফিরে নির্লজ্জের মতো স্বীকার করে, “আমি আমার প্রেমিকার সাথে কথা বলছিলাম।” তিনি কিছুই গোপন করার প্রয়োজন বোধ করেন না, কারণ তার ধারণা তিনিই সবচেয়ে বড়, তার কোনো ভুল হতে পারে না।

এই গল্পটা শুধু একজন এয়ার হোস্টেসকে নিয়েই শেষ নয়। এর আগেও রংপুরের এক আলেমা মেয়ের জীবন জড়িয়েছিল তার সাথে। আমাদেরই এক প্রতিযোগিতার ছাত্রী ছিল মেয়েটি। তাকে ইফতা পড়ানো, দ্বীনের পথে একসাথে চলা, এমনকি বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তার পরিবার পর্যন্ত কথা বলেছিলেন আমার স্বামী। কিন্তু যেই পুরোনো প্রেমিকার দেখা মিলল, অমনি সেই আলেমা মেয়েটিকে বলে দিলেন, “ভালো পাত্র পেলে বিয়ে করে নিন।” অথচ সেই বোকা মেয়েটা আজও তার প্রেমে পাগল হয়ে পথ চেয়ে আছে। আমার স্বামী তাকেও কথা দিয়েছেন, বিয়ে করলে তাকেই করবেন। এমন প্রতিশ্রুতির তালিকাটা বেশ লম্বা। শেষ পর্যন্ত তিনি কার হন, সেটা সময়ই বলে দেবে।

এই সবকিছুর পরও আমি চুপ থাকতে চেয়েছিলাম। একবার তো মুখ খুলে আবার সব মুছেও দিয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, নিজের কাঁধে সব দোষ নিয়ে অপমানিত হয়ে চুপ করে থাকব, যদি সে শুধরে যায়। কিন্তু আমি মিথ্যা বলিনি, নিছক সন্দেহের বশেও কিছু লিখিনি। যখন দেখলাম, ভক্তদের অন্ধ আস্ফালন তাকে শুধরানোর বদলে আরও বেপরোয়া করে তুলছে, তখন আমার আর চুপ করে থাকার উপায় ছিল না। হয়তো আমার এই সত্য প্রকাশ আপনাদের সচেতন করবে, আর তিনি চূড়ান্তভাবে নিজেকে সংশোধন করার একটি সুযোগ পাবেন। আমি জানি, এর জন্য আমাকে অনেক আক্রমণের শিকার হতে হবে, কিন্তু আমি নিজের পরোয়া করি না।

এই মানসিক যন্ত্রণা আর ক্রমাগত চাপে আমার শরীর-মন দুটোই ভেঙে পড়েছে। তাই আপাতত আমার অনলাইন তালিমটি স্থগিত করতে বাধ্য হচ্ছি। আমার আর আমার সন্তানদের, উসমান ও আয়িশার জন্য দোয়া করবেন। আমি একজন গুনাহগার বান্দা, আমার রবের ক্ষমা ও দয়ার কাঙাল।

জবানিতে: সাবিকুন নাহার সারা (আবু ত্বহা আদনানের স্ত্রী)।

সাবিকুন নাহার সারার ফেসবুক প্রোফাইল
সাবিকুন নাহার সারার ফেসবুক প্রোফাইল । ১১ অক্টোবর ২০২৫
তৈরি হচ্ছে...
Photocard Preview
ফন্ট
লাইন
অ্যাকশন
প্রচ্ছদ সর্বশেষ

বাণিজ্যের মোড়কে বাংলাদেশকে মার্কিন উপনিবেশ বানানোর ষড়যন্ত্র

News
ইতিহাসের এক অদ্ভুত পুনরাবৃত্তি দেখছে বাংলাদেশ। ১৭৫৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যেভাবে বাণিজ্যের অনুমতি নিয়ে এসে ধীরে ধীরে পুরো বাংলা দখল করে নিয়েছিল, ২০২৬ সালে…
26 April 2026 কলাম

দেশি কৃষি ধ্বংস করে কেন এই মার্কিন তোষণ?

News
বাংলাদেশ ঐতিহাসিকভাবেই একটি কৃষিপ্রধান দেশ। আমাদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো প্রান্তিক কৃষক। কিন্তু অতি সম্প্রতি ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ৩০ বছর মেয়াদী…
26 April 2026 কলাম

নির্বাচনের তিন দিন আগে দেশের গলায় কেন ৩০ বছরের গোলামির শিকল?

News
একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান কাজ হলো একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা বুঝিয়ে দেওয়া। এই সরকারের কোনো স্থায়ী ম্যান্ডেট নেই, নেই…
26 April 2026 কলাম

সেন্ট মার্টিন রক্ষায় কঠোর অবস্থানে সরকার

News
সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তই বহাল রাখছে বর্তমান নির্বাচিত সরকার। এর ফলে বছরে মাত্র ৩ মাস পর্যটকরা এই দ্বীপে যাওয়ার সুযোগ…
24 April 2026 জাতীয়

গাজীপুরে ব্যবসায়ীর অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি

News
গাজীপুর প্রতিনিধি:গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ীতে এক ব্যবসায়ীর চলমান কারখানা জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়া, কোটি টাকারও বেশি অর্থ আত্মসাৎ এবং তাকে শারীরিক নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির গুরুতর…
8 April 2026 অপরাধ

সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ (১৪৪৭ হিজরি): ৬৪ জেলার নির্ভুল ক্যালেন্ডার

News
শুরু হয়েছে পবিত্র মাহে রমজান ২০২৬ (১৪৪৭ হিজরি)। সিয়াম সাধনার এই পবিত্র মাসে রোজাদারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো সেহরি ও ইফতারের সঠিক সময় জানা। ইসলামিক…
19 February 2026 জাতীয়

পুলিশের ক্রিকেট খেলার ভিডিও ভাইরাল: নেটিজেনদের তোপের মুখে ‘সাংবাদিক’

News
গাজীপুরে স্থানীয় যুবকদের সাথে ক্রিকেট খেলার সময় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) বাসন থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মো. সজিব খানের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে সামাজিক…
19 February 2026 ঢাকা

এনসিপির ঝুলিতে ৬ আসন

News
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি ছয়টি আসনে জয় পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শরিক এনসিপি মোট ৩০ আসনে প্রার্থী…
13 February 2026 রাজনীতি

নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় ফিরছে বিএনপি

News
আবারও একটি অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক পথযাত্রায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি।আওয়ামী লীগহীন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অর্ধেকের বেশি আসনে জয়ী হয়ে দীর্ঘ…
13 February 2026 নির্বাচিত

বিএনপির বিজয়ে তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন

News
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ বিজয়ে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক…
13 February 2026 নির্বাচিত

নতুন সরকারের শপথ পড়াবেন কে?

News
ঐতিহাসিক এক নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত দেশের গণতন্ত্রেরই জয় হলো। সব জল্পনা-কল্পনা আর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মেঘ কাটিয়ে শেষ হলো বহুল কাঙ্ক্ষিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও সংবিধান…
13 February 2026 জাতীয়

গণহত্যা গুম খুনের বিচার হবেই : সালাহউদ্দিন আহমদ

News
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন ও অবিচারের শিকার ব্যক্তিদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে…
13 February 2026 নির্বাচিত

তারেক রহমানকে ঐতিহাসিক বিজয়ের শুভেচ্ছা মার্কিন দূতাবাসের

News
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের জন্য বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাস। শুক্রবার সকাল ৭টা ৪৮ মিনিটে ঢাকার মার্কিন…
13 February 2026 জাতীয়

সংসদ নির্বাচনে ঢাকার ২০ আসনে জয়ী হলেন যারা

News
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছে বিএনপি। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামসহ ১১ দলীয় জোট পেয়েছে ৭৭টি। তবে জেলাসহ ঢাকার ২০টি আসনের মধ্যে ৬টিতেই জয় পেয়েছেন…
13 February 2026 জাতীয়

দুই আসনে পরাজিত মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল করিম

News
ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির ও বরিশাল ৫ ও ৬ আসনে দলের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম হাতপাখা মার্কা নিয়ে ২টি আসনেই বেসরকারিভাবে পরাজিত…
13 February 2026 রাজনীতি