আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
ভেনেজুয়েলায় সামরিক অভিযানের পর এবার গ্রিনল্যান্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে নিতে সামরিক শক্তি প্রয়োগসহ ‘বিভিন্ন বিকল্প’ নিয়ে আলোচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস বিবিসিকে জানিয়েছে, ডেনমার্কের এই আধা স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলটি অধিগ্রহণ করা যুক্তরাষ্ট্রের ‘জাতীয় নিরাপত্তামূলক অগ্রাধিকারের’ অংশ।
গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ট্রাম্পের আকাঙ্ক্ষার বিষয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ডেনমার্ক। ডেনিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে কোনো হামলা হলে তা ন্যাটো জোটের অবসানের সূচনা ঘটাবে। মঙ্গলবার ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়ে যৌথ বিবৃতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, পোল্যান্ড ও স্পেনের নেতারা। বিবৃতিতে তারা বলেন, গ্রিনল্যান্ড তার জনগণের। তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার শুধু ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের।
ইউরোপীয় নেতাদের বিবৃতির কয়েক ঘণ্টা পরেই হোয়াইট হাউস তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানায়, প্রেসিডেন্ট ও তাঁর দল পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক এ গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনে বিভিন্ন বিকল্প উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন। কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে সামরিক বাহিনী ব্যবহার করার বিষয়টি সবসময়ই একটি বিকল্প হিসেবে প্রেসিডেন্টের হাতে থাকে। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে মার্কিন বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে আটক করে নিউইয়র্কে নিয়ে যাওয়ার ঘটনার পরপরই গ্রিনল্যান্ড ইস্যুটি নতুন করে আলোচনায় আসে।
ইতিমধ্যে ট্রাম্পের শীর্ষ সহযোগী স্টিফেন মিলারের স্ত্রী কেটি মিলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মার্কিন পতাকার রঙে গ্রিনল্যান্ডের একটি মানচিত্র প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘শিগগিরই’। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্টিফেন মিলার বলেন, এটি মার্কিন সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান যে গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের অংশ হওয়া উচিত। গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেউই যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই করবে না।